মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ডেভিল হান্টের অভিযানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামী যুবলীগের দুই নেতা আব্দুল মুক্তাদির ও ফরিদ আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় কুলাউড়া থানার ওসি মো. গোলাম আপছারের নেতৃত্বে এসআই সাদেক মিয়াসহ সঙ্গীয় ফোর্স পৌরসভার বিহালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা আব্দুল মুক্তাদিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে সোমবার রাতে কুলাউড়া থানার ওসি মো. গোলাম আপছারের নেতৃত্বে এসআই সুজন তালুকদারসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের ঢুলিপাড়া এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা ফরিদ আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মুক্তাদির কুলাউড়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিহালা গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছাড়াও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ও পৌর যুবলীগের সাবেক সদস্য ছিলেন। ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের আগে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগের শাসনামলে তিনি কুলাউড়া পৌর এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন। বিশেষ করে কুলাউড়া পৌরসভার ভাসমান ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহ করার অভিযোগও রয়েছে মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতা ফরিদ আহমদ উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের চুনঘর গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে। গত ৫ আগস্টের পূর্বে আওয়ামীলীগের শাসনামলে কাদিপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ নেতা ফরিদের বিরুদ্ধে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম আপছার মঙ্গলবার রাতে মুঠোফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় ডেভিল হান্টের অভিযানে যুবলীগ নেতা মুক্তাদির ও ফরিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তন্মধ্যে ফরিদকে আজ দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে যুবলীগ নেতা মুক্তাদিরকে আগামীকাল কারাগারে প্রেরণ করা হবে। এ পর্যন্ত আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।#